Press "Enter" to skip to content

সোনিয়া গান্ধীর সাথে হাত মেলাতেই শিব সেনার অন্য রূপ! শরনার্থী হিন্দুদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেওয়ার দাবি করলো শিব সেনা।

শেয়ার করুন -

সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) সাথে শিবসেনার (Shiv Sena) জোট হতে মহারাষ্ট্রে নিত্যনতুন ঘটনা সামনে আসছে। প্রথমত জানিয়ে দি, শিব সেনা পার্টির গঠন ইন্দ্রিরা গান্ধীর ইশারায় হয়েছিল, যাতে মহারাষ্ট্রে হওয়া নানা আন্দোলনকে দমন করা যায়।শিব সেনার গঠন হয়েছিল মারাঠা জাতির হয়ে কথা বলার নামে অন্য জাতির সাথে দ্বন্দ তৈরি করা। ইন্দ্রিরা গান্ধীর উদেশ্য ছিল মহারাষ্ট্রের লোকজন যাতে আসল ইস্যু গুলো থেকে ভ্রমিত হয়ে যায় এবং মারাঠি বনাম বিহারী, মারাঠি বনাম গুজরাটি ইত্যাদি ইত্যাদি দ্বন্দ্বে ব্যাস্ত হয়ে উঠে। ইন্দ্রিরা গান্ধীর কাজ হয়ে যাওয়ার পর উনি শিবসেনাকে ছুঁড়ে ফেলে দেন। তখন থেকে শিবসেনা নিজেদের হিন্দু দরদী হিসেবে দেশের সামনে প্রস্তুত করে। এরপর থেকে শিব সেনা কংগ্রেস মুক্ত ভারত, হিন্দু রাষ্ট্র ইত্যাদি নানা নীতি নিয়ে কথা তোলে। তবে সম্প্রতি হওয়া মহারাষ্ট্র নির্বাচনের পর সমস্ত রাজনৈতিক খেলা উলটো পালোট হয়ে গেছে।

এখন শিব সেনা কংগ্রেস পার্টির সাথে হাত মিলিয়ে নিয়েছে। অর্থাৎ যে কংগ্রেস পার্টিকে শিব সেনা গালি গালাজ দিয়ে এসেছে সেই পার্টির সাথে হাতে হাত মিলিয়ে নিয়েছে। তবে শুধু জোট করে নেওয়া নয়, জোটের সরকার গঠন হওয়ার পর থেকে এমন এমন ঘটনা সামনে আসছে যা খুবই চাঞ্চল্যকর। আসলে মহারাষ্ট্রের নানা জায়গায় জোটের ব্যানার লাগানো হয়েছে। আগে শিব সেনার ব্যানারে বালা সাহেব ঠাকরেকে বেশি প্রদর্শিত করা হতো। কিন্তু এখন সেই জায়গায় সোনিয়া গান্ধী ও যীশুর ছবি স্থান পেয়েছে।

ব্যানার দেখার পর অনেকে বলেছেন, এবার ধর্ম পরিবর্তনকারী খ্রিস্টান মিশনারীদের দাপট মহারাষ্ট্রে বৃদ্ধি পেতে পারে। শিব সেনার বিবৃতিতেও দারুন পরিবর্তন দেখা মিলেছে। শিব সেনার নেতা সঞ্জয় রাউত দাবি করেছেন, হিন্দু শরণার্থীদের যেন ভোটার অধিকার না দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এনেছে যার অধীনে প্রতিবেশী দেশ থেকে আগত শরণার্থী হিন্দুরা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন।

সঞ্জয় রাউত বলেছেন কেন্দ্র সরকার হিন্দু শরনার্থীদের নাগরিকত্ব দিক ঠিক আছে, কিন্তু তাদের ভোটার অধিকার দেওয়া যাবে না। অমিত শাহের কাছে লিখিতভাবে এই দাবি করেছেন সঞ্জয় রাউত। তার দাবি, বিজেপি ভোট ব্যাংকের রাজনীতি করছে। তাই হিন্দুদের নাগরিকত্ব দিলেও তাদের ভোটার অধিকার দেওয়া যাবে না।