Press "Enter" to skip to content

রাজঘাটে CAA এর বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ আন্দোলন করতে বসলেন সোনিয়া গান্ধী! বললেন আমরা মোদীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবো।

শেয়ার করুন -

মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী ইংরেজ আমলে বহু আন্দোলন করতেন। যদিও কোনো আন্দোলন কোনোদিন সাফল্য লাভ করতে পারেনি। প্রত্যেক আন্দোলন মাঝ রাস্তায় গিয়ে থামিয়ে দিতেন গান্ধীজি। তবে গান্ধীর মার্গ দর্শনে চলা কংগ্রেস পার্টি এখনও তার নীতি বজায় রেখে আন্দোলন করা বন্ধ করেনি। আজ কংগ্রেস পার্টি সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) নেতৃত্বে রাজঘাটে সত্যাগ্রহ প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে। মূলত CAA এর আইনের বিরুদ্ধে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়েছে। যদিও পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং আগে এই আইন আনার জন্য মোদী সরকারের কাছে অনুরোধ করেছিলেন। তবে রাজনীতিতে নীতি বদলানো কোনো বিশেষ ব্যাপার নয়।

পুরো কংগ্রেস পার্টি এখন তাদের নীতি বদলে CAA এর বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে। দুই সদনেই নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস করেছে এবং একটি নতুন আইন কার্যকর করেছে, তখন থেকেই দেশের বিভিন্ন শহরে এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল। এই প্রতিবাদগুলি ধীরে ধীরে হিংস্র হয়ে ওঠে। রবিবার এই ইস্যুতে বক্তব্য রেখে প্রধানমন্ত্রী মোদী দিল্লির একটি সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছিলেন গুজবে কান দেবেন না। দেশে CAA নামে যে বিরোধ হচ্ছে তার বেশিরভাগটাই NRC এর জন্য। আসলে একটা ভ্রান্তি মানুষের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে যে NRC এর জন্য মুসলিমদের কাছে ১৯৭১ সালের ডকুমেন্ট চাওয়া হবে।

কিন্তু আসলে এই নিয়মটি শুধুমাত্র আসামের জন্য, পুরো ভারতে NRC হলে তার জন্য ১৯৭১ সালের কোনো কাজগপত্র বা ডকুমেন্টস লাগবে না। এমকি সাক্ষী দিয়েও নিজেকে এদেশের প্রমান করার সুযোগ থাকবে। তবে একটা গুজব মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে মুসলিম সমাজের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। দেশে এমন হিংসার মধ্যে কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী, কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা ভদ্র, গোলাম নবী আজাদ রাজঘাটে এই সত্যাগ্রহ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন।

সত্যগ্রহের শুরুতে, সোনিয়া গান্ধী রাজঘাটে সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ করেছিলেন। সোনিয়া গান্ধীর পর প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেসের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রাহুল গান্ধীও সংবিধানের প্রস্তাবনা পাঠ করেছিলেন। কংগ্রেস দাবি করে যে তাদের শাসিত রাজ্যগুলিতে NRC লাগু হবে না। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেছিলেন যে “নাগরিকত্ব আইনের কারণে গণতন্ত্র বিপদে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী এ সম্পর্কে বিভ্রান্ত করছেন। কেন্দ্রের এজেন্ডা আরএসএসের এজেন্ডা, তারা দেশকে বিভক্ত করতে চায়। আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত