আন্তর্জাতিকনতুন খবর

পাকিস্তানের বার-এসোসিয়েশনের পাস হলো প্রস্তাব! অমুসলিমরা লড়তে পারবে না নির্বাচন।

পাকিস্তান কতটা কট্টর মনোভাবাপন্ন দেশ তা আরো একবার প্রমান হলো। ভারতে যখন CAA নিয়ে দেশজুড়ে চর্চা চলছে তখন পাকিস্তানে অমুসলিমদের বার কাউন্সিলে নির্বাচন লড়তে না দেওয়ার আইন পাস করা হয়েছে। ১০ ই জানুয়ারী, ভারত সরকার সমগ্র দেশে CAA প্রয়োগ করেছে, যার আনুষ্ঠানিক তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছিল। পাকিস্তানসহ বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পারসি, খ্রিস্টান সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়ে কথা বলছে এই আইন। সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের প্রতারণার ঘটনা বেড়েছে। এইসবের মধ্যে পাকিস্তানে পাঞ্জাব প্রান্তের বার অ্যাসোসিয়েশন একটি ধর্ম ভিত্তিক আইন পাস করেছে যার ফলে অমুসলিমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

কদিন আগেই ‘উজ-তেহফুজ-ই-নমুস-ই-রিসালাত’ নামে একটি প্রস্তাবকে পাঞ্জাবের মুলতান বার এসোসিয়েশনের উকিল দ্বারা সর্বসম্মতিক্রমে পাস করা হয়েছে। সেই প্রস্তাব অনুসারে, আহমদিয়া সহ কোনও অমুসলিম আইনজীবী মুলতান বারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।

মুলতানের জেলার আইনজীবী সমিতির আইনজীবীদের দ্বারা আয়োজিত তেহফুজ-ই-খাতাম-ই নবুবত সম্মেলনে প্রস্তাবটি উপস্থাপন করা হয়। এই প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে যে, বার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী আইনজীবীদের ইসলাম সম্পর্কে তাদের ধর্ম প্রমাণের জন্য একটি হলফনামা জমা দিতে হবে।

তারপরে সমস্ত উকিলরা শপথ করেছিলেন যে তারা পেগেম্বর মহাম্মদ এর শপথ নিচ্ছেন। সম্মেলন শেষে পেগেম্বর মহাম্মদ সাহেবের এর বিষয়ের বই উকিলদের মধ্যে বিতাড়িত করা হয়। এখন প্রশ্নঃ উঠেছে এই জাতীয় ধর্মীয় আইনের মাঝে পাকিস্তানের সংখ্যালঘুরা কীভাবে সেখানে বাস করবে? যদিও এ বিষয়ে ভারতের সেকুলার বুদ্ধিজীবী মহল কোনো প্ৰশ্ন তুলতে রাজি নয়।

Back to top button
Close