আন্তর্জাতিকনতুন খবর

“এরা মাদ্রাসা নামক কারখানায় তৈরি ইসলামিক রোবট”- কট্টরপন্থীদের আক্রমন তসলিমা নাসরিনের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই উত্তেজনা সৃষ্টির মুডে ছিল পাকিস্তান পন্থী হেফাজতে ইসলাম সংগঠন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ থেকে ফিরে এসেছেন, এমন অবস্থায় হেফাজতে ইসলাম পুরো বাংলাদেশ জুড়ে ব্যাপক তান্ডব শুরু করেছে। ঘর বাড়ি পুড়িয়ে দেয়ার থেকে শুরু করে মন্দিরে হামলার খবর বাংলাদেশ থেকে সামনে আসছে।

বাংলাদেশে জাতীয় গ্রন্থাগার পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার খবরও সামনে এসেছে। শুধু এই নয়, একের পর এক বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন পুড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা। এক স্থানে বাংলাদেশের জাতির পিতা মুজিবুর রহমানের ছবিতেও আগুন লাগানো হয়েছে, সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।

জানিয়ে দি, পুরো তান্ডব ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের দাবি ছিল যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশে আসতে দেওয়া যাবে না। এই দাবি না মানায় উপদ্রব শুরু করেছে বাংলাদেশের উন্মাদীরা।

বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের এই প্রবল তান্ডবের নিন্দা করে লেখিকা তসলিমা নাসরিন এর দায় মাদ্রাসার উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। তসলিমা নাসরিনের মতে, মাদ্রাসা থেকেই এই সকল সন্ত্রাসী তৈরি হয়।

তসলিমা নাসরিন সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করে লিখেছেন, “মাদ্রাসার মগজধোলাই হওয়া মূর্খ ছাত্ররা যে দেশে একদিন আগুন জ্বালাবে; গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা,বাকস্বাধীনতা, সাহিত্য সংস্কৃতি, জ্ঞান বিজ্ঞান বলে যৎসামান্য যা পড়ে আছে, তা পুড়িয়ে দেবে, তা তো আমরা আগেই জানতাম। এত বড় রাজনীতিবিদ হয়ে শেখ হাসিনা কেন জানতেন না সেটাই আশ্চর্যের। ”

উনি আরো লেখেন, ” এক মুজিবের রক্ত থেকে লক্ষ মুজিব জন্ম না নিলেও, এক ইসলামি- সন্ত্রাসী থেকে লক্ষ ইসলামি- সন্ত্রাসী জন্ম নেয়। গুলিতে এরা মরবে না, বরং শহীদ হয়ে জান্নাতে যাওয়ার লোভে বন্দুকের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়াবে। এরা মগজে হিংসে বিদ্বেষ ঘৃণা পুরে দেওয়া রোবটের মতো, এরা মাদ্রাসা নামক কারখানায় তৈরি হওয়া ইসলামি রোবট।
এখনও সময় আছে এদের মানুষ হতে সাহায্য করুন। এখনও মাদ্রাসা নামক কারখানা বন্ধ করে মানবতা সহিষ্ণুতা উদারতার পাঠশালা খুলুন।”

Related Articles

Back to top button