Press "Enter" to skip to content

বউ-বাচ্চা থাকার পরেও ছাত্রীকে বিয়ে করল ইয়াকুব হোসেন, রাগে শিক্ষককে স্কুলে ঢুকতে দিল না অভিভাবকরা

শেয়ার করুন -

বীরভূমঃ একটি বিয়ে করেছেন। রয়েশে স্ত্রী ও সন্তান। তবুও যায়নি বিয়ে করার শখ। আর সেই শখ মেটাতে স্কুল ছাত্রীকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করলেন মুর্শিদাবাদের কান্দি এলাকার জেমো নরেন্দ্রনারায়ণ হাই স্কুলের গুণধর শিক্ষক ইয়াকুব হোসেন। নতুন স্ত্রীর সঙ্গে সংসার বাঁধতে মুর্শিদাবাদ থেকে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিয়ে বীরভূমের হাই স্কুলে যোগদান করতে গিয়েছিলেন সেই শিক্ষক। কিন্তু এলাকাবাসীরা ভয়ে ওনাকে স্কুলে ঢুকতে দেয়নি।

বীরভূম জেলার সাঁইথিয়ায় দেরিয়াপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিয়ে এসেছেন মুর্শিদাবাদের জেমো নরেন্দ্রনারায়ণ পুরের শিক্ষক ইয়াকুব হোসেন। কিন্তু ওনাকে স্কুলে ঢুকতে দেবে না বলে এলাকাবাসী স্কুলের গেতে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁদের আশঙ্কা যেই মাস্টার বৌ থাকা স্বত্বেও নিজের ছাত্রীকে পালিয়ে নিয়ে বিয়ে করতে পারে, সেই মাস্টার নতুন স্ত্রী রুপি ছাত্রীকে ফেলে দিয়ে আরেক ছাত্রীকে নিয়েও পালাতে পারে।

মুর্শিদাবাদের জেমো নরেন্দ্রনারায়ণ পুরের শিক্ষক ইয়াকুব হোসেন স্ত্রী আর এক সন্তানকে ফেলে তাঁর স্কুলেরই এক ছাত্রীকে পালিয়ে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। নতুন বৌ পাওয়ার পর পুরনো স্ত্রী আর সন্তানের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ রাখেননি তিনি।

নতুন বৌয়ের সঙ্গে সুখে সংসার করার জন্য মুর্শিদাবাদ থেকে মিউচুয়াল ট্রান্সফার নিয়ে বীরভূমে পালিয়ে আসেন ইয়াকুববাবু। স্কুলের শিক্ষক বৌ সন্তান ফেলে নিজের স্কুলের ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়েছে খব যখন বীরভূমে ছড়িয়ে পড়ে, তখন গ্রামবাসীরা একজোট হয়ে সেই গুণধর শিক্ষককে স্কুলে ঢুকতে বাধা দেয়।

গ্রামবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, যেই শিক্ষক বৌ সন্তানকে ফেলে আরেকজনকে নিয়ে পালিয়ে যায়, তাঁকে বিশ্বাস করা সম্ভব নয়। আগামীদিনে উনি আবারও এই কাজ যে করবেন না, সেটার কোনও নিশ্চয়তা নেই। গ্রামবাসীরা স্কুলে তালা ঝুলিয়ে দিলে সাঁইথিয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের বুঝিয়ে কোনও রকমে স্কুলের তালা খুলিয়ে পঠনপাঠন শুরু করায়।

গ্রামবাসীরা স্কুলের সামনে এরকম বিক্ষোভ দেখাচ্ছে শুনে ইয়াকুব হোসেন আজ আর স্কুল মুখো হননি। পুলিশ আজ গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে, আগামী দিনে ওই শিক্ষক আবারও স্কুলে যোগ দিতে গেলে গ্রামবাসীরা আবারও যে বিক্ষোভ দেখাবে না সেটা কেউ বলতে পারবে না।