Press "Enter" to skip to content

জেহাদি রিয়াজ নাইকুর দেহ দেওয়া হবে না পরিবারের হাতে, অজ্ঞাত জায়গায় দফন করবে পুলিশই

শেয়ার করুন -

গতকাল জম্মু কাশ্মীরের অবন্তিপুরায় হিজুবুল মুজাহিদ্দিন (Hizbul Mujahideen) এর প্রধান রিয়াজ নাইকুকে (Riyaz Naikoo) দীর্ঘ এনকাউন্টারর পর খতম করে সেনা। হিজবুলের এই কম্যান্ডারের মাথার দাম ১২ লক্ষ টাকা রেখেছিল সেনা। ২০১৬ সাল থেকেই সক্রিয় ভাবে জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত ছিল রিয়াজ। প্রথম জীবনে অঙ্কের অধ্যাপক হওয়ার পরেও, এক জঙ্গির জানাজায় গিয়ে নিজেকে জঙ্গি বানাবে বলে স্থির করে নেয় নাইকু।

আজাদ কাশ্মীরের নামে প্রত্যক্ষ ভাবে পাকিস্তানের সমর্থক ছিল হিজবুলের এই জঙ্গি কম্যান্ডার। বিগত কয়েক বছর ধরেই রিয়াজকে খুঁজছিল সেনা। অবশেষে গতকাল নিজেদের অভিযানে সফল হয় ভারতীয় সেনার জওয়ানরা। দুদিন আগে কাশ্মীরে জঙ্গিদের সাথে হওয়া এনকাউন্টারে পাঁচ সেনার মৃত্যুর বদলা রিয়াজ নাইকুকে খতম করে নিয়েছে জওয়ানরা।

আরেকদিকে, গতকাল রিয়াজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বিচ্ছিন্নতবাদীরা সেনার গাড়িতে হামলা চালায়। গোটা গাড়ি ঘিরে চালায় তাণ্ডব। পরে সেনার বরিষ্ঠ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। রিয়াজের মৃত্যুর পর তাঁর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেবে না সেনা।

আর এর প্রধান কারণ হল, জঙ্গিদের জানাজায় জমা অত্যাধিক ভিড়।  যদিও এই নিয়ম নতুন না, এর আগে কাশ্মীরে এক জঙ্গির মৃত্যুর পর তাঁর জানাজায় বিশাল ভিড় হওয়ার জন্য এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে পুলিশ। একেতেই করোনার কারণে গোটা দেশে লকডাউন জারি আছে। আর এই লকডাউনে জঙ্গির জানাজায় ভিড় জমলে এলাকায় করোনা ছড়িয়ে পড়ার বিপদ আরও বেশি। সেই জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরেকদিকে, রিয়াজের জানাজায় অংশ নিয়ে আবারও কোন কাশ্মীরি যুবক যাতে জঙ্গি না হয়ে যায় সেটার আশঙ্কাও রয়েছে। রিয়াজের শেষকৃত্য পুলিশ সম্পন্ন করবে। আর এই শেষকৃত্যে রিয়াজের পরিবারের তরফ থেকে হাতে গোন কজন উপস্থিত থাকবে।