নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

ভিডিওতে দেখুন … তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে কেঁদে ভাসালেন নেতা

ডানকুনিঃ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে চারিদিকে চলছে দলবদলের পালা। তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতা থেকে শুরু করে কর্মী-সমর্থকরাও যোগ দিচ্ছে বিজেপিতে। আর এই যোগদানের মাঝেই এমন এক আজব কাণ্ড ঘটে গেল ডানকুনিতে যার ফলে শোরগোল রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে। আসলে বিজেপিতে নাম লেখানোর আগে কেঁদে ভাসালেন ডানকুনির তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন কাউন্সিলর কৃষ্ণেন্দু মিত্র। এই ঘটনার ভিডিও (Video) সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হচ্ছে।

https://www.youtube.com/watch?v=IN8aeox7XJE

এর আগে ডানকুনি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান এবং দুই প্রাক্তন কাউন্সিলর বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তখন থেকেই কৃষ্ণেন্দু মিত্রকে নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। আর আজ ডানকুনিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সভায় সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপিতে যোগ দিতে যান কৃষ্ণেন্দু মিত্র। কিন্তু যোগ দেওয়ার আগের মুহূর্তেই তিনি আবার পাল্টি খেয়ে যোগ না দিয়েই সভা থেকে বেরিয়ে যান। বিজেপির দাবি, ব্যক্তিগত কারণে তিনি সেই মুহূর্তে সভা ছেড়ে চলে যান। তবে সুত্র অনুযায়ী, তিনি মাইকে নিজের মন্তব্য পেশ করতে চেয়েছিলেন, সেই সুযোগ না পাওয়ায় তিনি সভা ছেড়ে চলে যান।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার আগে কৃষ্ণেন্দু মিত্রকে ফোন করে চণ্ডীতলার তৃণমূল বিধায়ক স্বাতী খন্দকার। তিনি ফোনে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে কৃষ্ণেন্দু মিত্রর বিজেপিতে যোগদান আটকাতে চান। বিধায়ক যাকে মেজদি বলে ডাকেন কৃষ্ণেন্দু মিত্র, তাঁর ফোন পেয়ে কেঁদে ভাসান প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি বিধায়ককে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনার বিবরণ দেন। এবং তিনি এও জানান যে কেন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন।

কৃষ্ণেন্দু মিত্র বলেন, আমি তৃণমূলে কোনদিনও সন্মান পাইনি। আমি কোনদিনও একটি টাকাও খাইনি আর না তোলাবাজি করেছি। এমনকি তৃণমূল নেতাদের একাংশকে তিনি তোলাবাজ বলেও আখ্যা দেন। তিনি বলেন গতকাল সন্ধ্যে পর্যন্ত তৃণমূল ছেড়ে যাওয়ার আমার কোনও ইচ্ছে ছিল না। আমি ১৯৯৮ সাল থেকে এই দলটা করি। তৃণমূলের সাংসদ আমাকে বহিস্কার করেছিল, এরপরেও আমি মানুষের পাশে দাঁড়াই।

তিনি বলেন, শুধু আমার সাথে না আমাদের বিধায়কের সাথেও এরকম করেছে ওঁরা। আমাদের বিধায়কের মতো মানুষ হয় না। উনি মাটির মানুষ। সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ান। তিনি বলেন, বিধায়ক মিটিং ডাকলে কোনও তৃণমূল নেতা যেত না। এমনকি বিধায়ককে পুরসভায় পর্যন্ত ঢুকতে দেওয়া হত না। আমি নিজে ওনাকে পুরসভায় ঢুকিয়েছি। আমি অনেক যন্ত্রণা নিয়ে দল থেকে যাচ্ছি। যেই আদর্শের জন্য তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলাম। সেই আদর্শ আর নেই।

Related Articles

Back to top button