আন্তর্জাতিকনতুন খবর

চীনকে কয়লা সাপ্লাই বন্ধ করল অস্ট্রেলিয়া! মহা বিপদে পড়ল জিনপিং সরকার

চালবাজি চিটিংবাজী করে সাময়িক উন্নতি হতেই পারে তবে তা কখনই দীর্ঘস্থায়ী হয়না। এর তাজা উদাহরণ প্রস্তুত করেছে ভারতের প্রতিবেশী দেশ চীন (China)। চালবাজি চিটিংবাজি করতে গিয়ে চীনে কোন বড়োসড়ো ক্রাইসিসের মধ্যে পড়েছে। তবে ড্রাগনের এই সংকটে পড়ার কারণ ভারতের বা অন্য কোন দেশের হাত নেই। আসলে চীনের অহংকার আজ চীনকে মহা বিপদে ফেলেছে।

চীনে উৎপন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ সংকট

আসলে চীন তার আগ্রাসন নীতির দ্বারা পুরো বিশ্বে দাপট জমাতে লেগে পড়েছে। আর এই পরিপ্রেক্ষিতে চীন যে রং নীতি প্রয়োগ করেছে তাতে নিজেই এসেছে জিনপিংয়ের সরকার। বিগত দুই তিন দিন ধরে চীন জুড়ে শুরু হয়েছে পাওয়ার ক্রাইসিস তথা বিদ্যুৎ সংকট। এখন পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে পড়েছে যে চিনে থাকা বড় বড় ফ্যাক্টরি বন্ধ হতে শুরু হয়েছে। বিদ্যুতের অভাবে প্রায় কয়েক হাজার ছোটো কারখানা ইতিমধ্যে বন্ধ হয়েছে বলে জানা গেছে।

এমনকি টেসলা কোম্পানি চীনে নিজের যে প্ল্যান্ট স্থাপন করে রেখেছে তাও বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। শুধু এই নয় যে নিজের নাগরিকদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে শুরু করেছে চীনের সরকার। চীনের সরকারের তরফে এক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে কোনো ব্যক্তি নিজের বাড়িতে এমন কোন মেশিন ব্যবহার করতে পারবে না যা বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।

চীনকে বড়ো ঝটকা অস্ট্রেলিয়ার

এখন India Rag এর পাঠক পাঠিকাদের মর্নিং একটা প্রশ্ন আসতেই পারে যে তিনি এমনকি হলো যে এত বড় দেশে বিদ্যুৎ সংকট তৈরি হয়েছে তাহলে কি চীনের বিদ্যুৎ গ্রেডে কোন সাইবার হামলা হয়েছে, এর উত্তর না। আসলেই চিনেছি বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় তার একমাত্র মাধ্যম কয়লা অর্থাৎ কয়লা পুড়িয়ে চিনে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।

আর এই কয়লার সাপ্লাই দিয়ে থাকে অস্ট্রেলিয়া। তবে বিগত কয়েক মাস ধরে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে চীনের সম্পর্ক তেমন ভালো নেই নিজের আগ্রাসন নীতির অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ার সাথে বাণিজ্য (Trade) এর হার অনেকটা কমিয়ে দিয়েছে যার দরুন অস্ট্রেলিয়া ও চীনকে কয়লা সাপ্লাই কমিয়ে দিয়েছে। এদিকে চীন ব্যাপক বন্যার কারণে নিজের খাদান গুলোকে সচল করতে পারেনি। ফলস্বরূপ, চীনের কয়লার অভাব তৈরি হয়েছে।

Related Articles

Back to top button