Press "Enter" to skip to content

টিকিট না পেয়ে বিজেপির নেতাদের কাছে ফোন করছে তৃণমূল বিধায়করা!

শেয়ার করুন -

কলকাতাঃ  পয়াদিন শুক্রবার নিজের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০১৬ সালে নির্বাচনে জয়ের পর এই শুক্রবারের দিনেই শপথ গ্রহণ করেছিলেন তিনি। আজকের তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড়সড় চমক দেখা গিয়েছে। একদিকে যেমন এই প্রার্থী তালিকায় তারকাদের স্থান দেওয়া হয়েছে। তেমনই এই প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে অনেক বিধায়কদের নাম।

যেই বিধায়কদের এবার প্রার্থী করা হয়নি, তাঁদের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন ওঁরা অসুস্থ আর বয়স হয়েছে। যেমন তৃণমূলের বিধায়ক জটু লাহিড়ীর কথা উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ওনার অনেক বয়স হয়েছে। আবার সোনালি গুহ আর অমিত মিত্রর কথা উল্লেখ করে দিদি বলেছেন, এঁরা অসুস্থ। তবে তিনি এও বলেছেন যে, যাদের টিকিট দিতে পারেন নি, তাঁদের বিধান পরিষদের সদস্য করবেন। কিন্তু আশ্চর্য বিষয় হল, বাংলায় বিধান পরিষদই নেই। তবে তৃণমূল জিতলে বিধান পরিষদ হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরেকদিকে, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই বিজেপির নেতাদের ফোনে ফোন আসা শুরু হয়েছে। কিছু ফোন ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকীর কাছেও গিয়েছে বলে খবর। টিকিট না পেয়ে তৃণমূল নেত্রী সোনালী গুহ ক্যামেরার সামনেই হাউ হাউ করে কেঁদেছেন। আবার তৃণমূলের অবাঙালি নেতা দীনেশ বাজাজ প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই তৃণমূল ছেড়ে দিয়েছেন। উনি এবারের টিকিট প্রত্যাশী ছিলেন। এছাড়াও বীরভূমের নলহাটির বিধায়ক টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমি টুপি পরা মুসলমান। কয়লা আর পাথর মাফিয়াদের সঙ্গে সমঝোতা করিনি বলেই আমাকে প্রার্থী করা হয়নি।

রাজ্য বিজেপির এক শীর্ষ নেতা বলেছেন, তৃণমূলে যারা টিকিট পাননি তাঁরা বিজেপিতে আসতেই পারেন। তবে তাঁদের টিকিট যে দেওয়াই হবে সেটার প্রতিশ্রুতি দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, যেসব বিজেপির নেতা, কর্মীরা এতদিন ধরে দলটাকে টেনে নিয়ে গিয়েছে তাঁদের সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হবে।