নতুন খবরভারতবর্ষরাজনীতি

‘খেলা হল না” তৃণমূলের, আগরতলায় একাই একশ বিজেপি! অস্তিত্ব সংকটে সিপিএমের

আগরতলাঃ ২৫ নভেম্বর হয়েছিল আগরতলার পুরসভার নির্বাচন। আজ চলছে ভোট গণনা। শুরু থেকেই চালকের আসনে বিজেপি। তৃণমূল ত্রিপুরায় ঘাঁটি গেঁড়ে বসে থাকলেও নির্বাচনী ফলাফলে তাঁদের তেমন ম্যাজিক দেখা গেল না। তবে ত্রিপুরার বিরোধী দল সিপিএমকে জোর টক্কর দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। বিজেপির ঝড় থাকার পরেও আমবাসায় খাতা খুলতে সক্ষম হয়েছে ততৃণমূল। সেখানে একটি করে ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থী।

তবে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বামেরা নিজেদের শক্তি ধরে রাখা তো দূরের কথা, পাল্টা তৃণমূলের কাছেই হেরেছে। তেলিয়ামুড়ায় ১৫টি আসনে বিজেপি জিতেছে অন্যদিকে, ওই ১৫টি আসনের মধ্যে ১২টিতেই সিপিএমকে হারিয়ে তৃণমূল দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এছাড়াও আগরতলায় ১০০ শতাংশ আসনেই কবজা করেছে বিজেপি। ৫১টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই বিজেপি জিতেছে। অবাক করা বিষয় হল, আগরতলার ২৬টি ওয়ার্ডে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

খোয়াইয়ে পুর পরিষদের ১৫টি আসনের মধ্যে ১৫টিই বিজেপির দখলে গিয়েছে। সেখানে আগেই ৭টি আসনে বিরোধী দল প্রার্থী দিতে না পারায় বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হাসিল করেছিল। বাকি ৮টি আসনে নির্বাচন হয়, সেগুলোর সবকটিতেই বিজেপি জয়লাভ করেছে।

উল্লেখ্য, আগরতলার নির্বাচনের দিনে শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটারদের মারধর এবং বিরোধী দলের উপর হামলার অজস্র অভিযোগ উঠেছিল। যদিও, বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগই খারিজ করে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, অশান্তির অভিযোগ থাকলেও ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছিল সেদিন।

ভোট শেষ হতেই আগরতলার পূর্ব ও পশ্চিম থানায় গিয়ে সিপিএম এবং তৃণমূল নেতৃত্ব ধরনায় বসেছিল। তাঁদের দাবি ছিল ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোট করানো। এমনকি তৃণমূলের তরফ থেকে পুনরায় ভোটের জন্য সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।

করোনা বিধি মেনেই এদিন সকাল থেকে গণনা শুরু হয় আগরতলায়। মোট ৩৩৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি আগেই ১১২টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছিল। বাকিগুলোতেও এখন বিজেপির ঝড় চলছে। সিপিএম এও তৃণমূল বিজেপির সামনে ধরাশায়ী হয়েছে।

Related Articles

Back to top button