নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গ

নামাজে যাওয়ার আগে মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি! ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর গ্রেফতার এক

মেরঠঃ মেরঠ থানা এলাকার সদর বাজারে চুরি করার এক আজব মামলা সামনে এসেছে। সেখানে স্কুটি সওয়ার দুই যুবককে বাড়ির বাইরে রোদে শুকোতে দেওয়া মহিলার অন্তর্বাস চুরি করতে দেখা যায়। যুবকদের এই কাজ সিসিটিভি ক্যামেরায় কয়েদ হয়েছে। বাড়ির মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি হওয়ার ঘটনা সামনে আসার পর থেকে পরিজনদের চিন্তা বেড়ে গিয়েছে। পরিজনেরা আশঙ্কা জাহির করে বলেছেন, অন্তর্বাস চুরি করে তন্ত্র-মন্ত্র করা হতে পারে। আরেকদিকে পুলিশ স্কুটি সওয়ার অন্তর্বাস চুরি করা এক যুবককে গ্রেফতার করেছে এবং আরেকজনের খোঁজ চালাচ্ছে।

গত রবিবার দুপুরে প্রায় দুটো নাগাদ স্কুটি সওয়ার দুই যুবক একটি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে রোদে শুকোতে দেওয়া মহিলাদের অন্তর্বাস স্কুটির ডিকিতে ঢুকিয়ে পালাতে দেখা যায়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর এলাকাবাসীর চিন্তা বেড়ে যায়। সবার ধারণা এরকম ভাবে মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করে সেটিতে তন্ত্র-মন্ত্র করে মহিলাদের বশ করার চক্রান্ত চলছে।

সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসার পর পুলিশ ভিডিও দেখে একজন যুবককে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া ওই অভিযুক্তের নাম মহম্মদ রোমিন বলে জানা গিয়েছে। এই কাণ্ডে জড়িত মহম্মদ আসসাক নামের আরেক যুবকের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ অনুমান করেছে যে, তন্ত্র-মন্ত্রের মাধ্যমে বশীকরণ করার জন্যই মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করেছে তাঁরা।

গ্রেফতার হওয়া এক যুবককে স্কুটি থেকে নেমে মাথায় ফেজ টুপি পরে সামনে এগিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে। প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, ওই দুই যুবক নামাজ পড়ার জন্য পাশের মসজিদে যাচ্ছিল। কিন্তু নামাজ পড়তে যাওয়ার আগে মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করে। আর সেই ঘটনা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে যায়।

শচীন গুপ্তা নামের এক ব্যক্তি টুইটারে সিসিটিভি ফুটেজ আপলোড করেন, ‘তিনি লেখেন, উত্তর প্রদেশের মেরঠে স্কুটি সওয়ার দুই যুবক মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করছিল। একজন অন্তর্বাস চুরি করে, আর একজন টুপি পরে নামাজ পড়ার জন্য মসজিদের দিকে রওনা দেয়। দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশে মামলা দায়ের হয়েছে।”

এসএসপি সুরজ রায় বলেন, মহিলাদের অন্তর্বাস চুরি করার এই মামলা একেবারে নতুন। পরিজনদের অভিযোগের পর দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে আর একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযুক্তকে ধরার জন্য খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

Related Articles

Back to top button