Press "Enter" to skip to content

মহারাষ্ট্রের মুসলিমদের NRC নিয়ে কোনো চিন্তা নেই, আমরা তাদের পাশে আছি: উদ্ধব ঠাকরে, শিবসেনা।

শেয়ার করুন -

শিবসেনার প্রতিষ্ঠাতা বালাসাহেব ঠাকরেকে হিন্দু হৃদয় সম্রাট বলে আখ্যায়িত করা হতো। শিব সেনা পার্টিও কট্টর হিন্দুত্ববাদী বলে পরিচিত ছিল। কিন্ত এখন শিব সেনা মহারাষ্ট্রে নিজের ছবি বদলাতে শুরু করেছে। আসলে শিব সেনা কংগ্রেস ও NCP এর সাথে হাত মিলিয়ে সরকার গঠন করেছে। কংগ্রেস ও শিবসেনা দুই সম্পূর্ণ ভিন্ন বিচার ধারার পার্টি। কিন্তু কংগ্রেসের সাথে হাত মেলানোর পর থেকে শিব সেনার মুড পরিবর্তন হতে শুরু হয়েছে। CAA আইন ও NRC নিয়ে যখন দেশজুড়ে তর্ক বিতর্ক তুঙ্গে তখন শিব সেনার তরফ থেকে উদ্ধব ঠাকরে তার পতিক্রিয়াজানিয়েছেন।

উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) বলেছেন মহারাষ্ট্রের মুলিমদের NRC নিয়ে চিন্তার কোনো কারণ নেই। কারণ এখানে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করা হয়নি। তাঁর শাসনে মুসলিম নাগরিকদের নিয়ে কোনও উদ্বেগের দরকার নেই। সোমবার মুসলিম সম্প্রদায়ের কয়েকজন বিধায়কের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দলের সাথেও উদ্ধব ঠাকরে বৈঠক করে আশ্বাস দিয়েছিলেন। মুসলিম সম্প্রদায়ের বিধায়কদের এই প্রতিনিধি দলটিতে এনসিপি বিধায়ক নবাব মালিকও উপস্থিত ছিলেন এবং বলেছিলেন যে নয় মুম্বইয়ের খড়গড়ের ‘ডিটেনশন সেন্টার’ মাদক পাচারে জড়িত বিদেশি নাগরিকদের জন্য। সেখানে কেবলমাত্র 38 জনকে রাখা যেতে পারে (খড়ঘর ডিটেনশন সেন্টার)। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরে বিদেশী নাগরিকদের তাদের নিজের দেশে প্রত্যর্পণ করার আগে তদের রাখার জন্য এই ব্যাবহৃত হয়। ‘

বিধায়ক নবাব মালিক আরও বলেছিলেন যে “সিএএ সম্পর্কে জনগণের মধ্যে কোনও ধরণের ভুল ধারণা থাকা উচিত নয়”। আমার সরকার কোনও ধর্ম বা সম্প্রদায়ের নাগরিকদের অধিকার ক্ষতিগ্রস্থ হতে দেবে না। আমি রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির আবেদন করছি। ” আসলে CAA ও NRC নিয়ে কিছুজন দেশের মধ্যে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দিয়েছে। যার জন্য মুসলিম সমাজের একাংশ সরকারের সিদ্ধান্তের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, শিব সেনা কট্টর হিন্দুত্ববাদ ছেড়ে এখন ধর্মনিরপেক্ষতা নীতিকে আপন করে নিয়ে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকে অবশ্য দাবি করেছেন কংগ্রেস পার্টির সাথে জোট করার জন্য এই অবস্থা হয়েছে। সোনিয়া গান্ধীর কথা মতো উদ্ধব ঠাকরে চলছেন বলেও অনেকে অভিযোগকরেছেন।