Press "Enter" to skip to content

পাকিস্তানি সেনা বলেছিল- মাধুরী দীক্ষিত দিয়ে দাও, যুদ্ধ করবো না! ক্যাপ্টেন বিক্রম বত্রা হেসে দিয়েছিলেন কড়া জবাব

শেয়ার করুন -

কার্গিল যুদ্ধের প্রসঙ্গ উঠলেই ভারতের বীর জওয়ান বিক্রম বত্রার (Vikram Batra) নাম অবশ্যই উঠে আসে। কার্গিল যুদ্ধের সময় পাকিস্তানী সৈনিকদের মধ্যে বিক্রম বত্রা এর নাম আতঙ্কের সৃষ্টি করতো। বিক্রম বত্রার কোড নাম দেওয়া হয়েছিল শের শাহ।

কারগিলে ৫১৪০ নম্বর পোস্টে কবজা করার পর টিভিতে ‘ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর” বলে সর্বোচ্চ বলিদানি জওয়ান গোটা ভারতবর্ষের মন জয় করে নিয়েছিলেন বিক্রম বত্রা। উনার বীরত্বের কাহিনী এবং জীবনের নানা ঘটনা আজও দেশপ্রেমিক যুবকদের মনকে উৎসাহিত করে।

কারগিল যুদ্ধের কয়েকমাস আগে বিক্রম বত্রা ছুটিতে নিজের বাড়ি পালমপুর গেছিলেন, আর সেখানে বন্ধুদের ট্রিট দিতে ন্যুগাল ক্যাফেতে নিয়ে গেছিলেন।

সেখানে ওনাকে ওনার এক বন্ধু বলেন, ‘এবার তুমি সেনায় আছো। নিজের খেয়াল রাখবে।” এরপর বিক্রম বলেন, আমার চিন্তা করোনা, আমি জিতে তিরঙ্গা উড়িয়ে আসব, আর সেই তিরঙ্গাতেই মুড়ে আমাকে বাড়িতে আনা হবে। কিন্তু আমি আসব এটা নিশ্চিত।

মাত্র ২৫ বছর বয়সেই তিনি দেশের স্বার্থে সর্বোচ্চ বলিদান দেন। হিমাচল প্রদেশের পালমপুরে ১৯৭৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিক্রম বত্রা। ১৯ জুন ১৯৯৯ সালে বিক্রম বত্রার নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান আর্মি পাকিস্তানিদের কাছ থেকে ৫১৪০ নং পোস্ট ছিনিয়ে নেয়। ওই পোস্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর স্ট্যাটের্জিক ছিল।

যুদ্ধের সময় এক পাকিস্তানি অনুপ্রেবেশকারী বলেছিল আমাদেরকে মাধুরী দীক্ষিত দিয়ে দাও, আমরা যুদ্ধ করবো না। এর জবাবে ক্যাপ্টেন বিক্রম বত্রা হাসেন এবং বলেন- এই নে মাধুরী দীক্ষিতের ভালোবাস। এটা বলার পর উনি AK-47 পাকিস্তানিদের দিকে মুড়ে দেন।
৫১৪০ নং পোস্ট থেকে পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীরা ভারতীয় সেনার উপর গুলি চালাচ্ছিল। তবে বিক্রম বত্রার দরুন বহু পাকিস্তানি সাফাই হয়ে যায়।

আর এই পোস্টে ভারতীয় পতাকা উত্তোলন করার পর বিক্রম ৪৮৭৫ নং পোস্ট জয়ের জন্য চলে যায়। ওই পোস্ট সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ছিল