নতুন খবরভারতবর্ষভিডিও

ছোট্ট কাপ কেক আর মোমবাতি, এক তরুণকে পাশে নিয়ে এভাবেই জন্মদিন পালন করলেন রতন টাটা

নয়া দিল্লিঃ ভারতের শিল্পপতি তথা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতি রতন টাটাকে আমরা কে না চিনি? ওনার সাধারণ জীবনযাপন এবং মানুষ ও ভারতের প্রতি ভালোবাসা নিয়ে আমরা সবাই কমবেশি অবগত। ভারতের ১ নম্বর শিল্পপতি না হলেও, রতন টাটা প্রতিটি ভারতীয় মনে এমন ভাবে গেঁথে রয়েছেন যে, উনি ১ নম্বরের থেকে অনেক বেশি উপরে চলে গিয়েছেন।

বলে দিই, গত ২৮ শে ডিসেম্বর মঙ্গলবার রতন টাটা নিজের ৮৪ তম জন্মদিন পালন করেছেন। তার জন্মদিন উদযাপনের একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এই ভিডিওতে রতন টাটাকে একটি চেয়ারে বসে সামনের টেবিলে একটি ছোট কাপ কেক কাটতে দেখা গেছে। রতন টাটা একটি ছোট কেকের উপর মোমবাতি নিভিয়ে কেক কেটেছেন। পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন একটি তরুণ যুবক।

ইন্টারনেটে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে রতন টাটা বেশি জাঁকজমক না করে একটি কমদামি কেক কেটে তার জন্মদিন উদযাপন করছেন। অত্যন্ত সরলতার সাথে উদযাপন করার এই বিষয়টি সকলের মন কেড়েছে। বর্তমানে এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু এই ভিডিওতে অনেকেই ভাবছেন কে এই যুবক যিনি রতন টাটার সঙ্গে কেক কাটেন? জানলে অবাক হবেন এই ছেলের সাথে রতন টাটার কোন পারিবারিক সম্পর্ক নেই।

ভিডিওর সেই যুবকের নাম শান্তনু নাইডু। যিনি রতন টাটার কাঁধে হাত রেখে কেক খাচ্ছেন। শান্তনু রতন টাটার ব্যক্তিগত সচিব। রতন টাটা এমনিতে কতটা জনপ্রিয় তা সকলেই জানেন। তরুণ সমাজ তার বক্তৃতা এবং গল্প খুবই পছন্দ করেন। কিন্তু খুব কম লোকই জানেন যে ৮৫ বছর বয়স্ক রতন টাটার সাথে প্রাইভেট সেক্রেটারি হিসাবে কাজ করেন এত তরুণ এক যুবক। শান্তনু নাইডু মুম্বাইতে থাকেন। তিনি এমন একজন ভাগ্যবান যুবক, যার কাজে মুগ্ধ হয়ে রতন টাটা নিজেই ফোন করেছিলেন এবং জিজ্ঞাসা করেছিলেন “তুমি যেভাবে কাজ করো, তাতে আমি খুব মুগ্ধ। তুমি কি আমার সহকারী হবে?

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Viral Bhayani (@viralbhayani)

শান্তনু, রতন টাটার সাথে কাজ করে, হিউম্যানস অফ বোম্বে ফেসবুক পেজে তার সাফল্যের গল্প লিখেছেন। এরপর থেকেই তিনি শিরোনামে। শান্তনু বলেছেন যে ২০১৪ সালে এই ঘটনা তার জীবন বদলে যায়। প্রায় পাঁচ বছর আগে সড়কে দুর্ঘটনায় একটি কুকুরকে মরতে দেখেন। কুকুরদের এভাবে মরার হাত থেকে বাঁচানোর কথা ভাবতে শুরু করেন শান্তনু। শান্তনু কুকুরদের জন্য কলার তৈরি করার ধারণা নিয়ে এসেছিলেন। একটি চকচকে কলার যা গাড়ি চালকরা দূর থেকে দেখতে পায়। তারপরেই আস্তে আস্তে জনপ্রিয় হয়েছিলেন তিনি।

Related Articles

Back to top button