নতুন খবরপশ্চিমবঙ্গ

কপালে তিলক, গেরুয়া পোশাক পরা ধর্মপ্রাণ বৈষ্ণবকে বুথে বসতে বাঁধা তৃণমূল কংগ্রেসের

কাকদ্বীপঃ আজ দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হচ্ছে রাজ্যের চার জেলার ৩০টি আসনে। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ঘিরে প্রতিটি আসনেই বিশাল নিরাপত্তা বন্দোবস্ত করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনও জটলা করতে দেওয়া হচ্ছে না। সবরকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর হয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এরই মধ্যে পোলিং এজেন্টের পোশাক নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ বিধানসভা কেন্দ্রে।

কাকদ্বীপ বাসস্ট্যান্ডের কাছে রথতলা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির গেরুয়া বসন নিয়ে আপত্তি জানায় তৃণমূল কংগ্রেসের পোলিং এজেন্ট। দীপঙ্কর জানা নামের ওই ব্যক্তি বিজেপির পোলিং এজেন্ট। তিনি বৈষ্ণব সম্প্রদায়ভুক্ত এবং তিনি আগাগোড়াই গেরুয়া বসন পরেন এবং কপালে তিলক লাগান। কিন্তু দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিনে কাকদ্বীপে বিজেপির পোলিং এজেন্ট হয়ে কাজ করা দীপঙ্করবাবুকে ওনার পোশাকের জন্য বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছে।

প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের পোলিং এজেন্টরা দীপঙ্করবাবুর গেরুয়া বসন নিয়ে অভিযোগ জানান। এরপর প্রিসাডিং অফিসার এবং নিরাপত্তা রক্ষীরা তৃণমূলের অভিযোগের ভিত্তিতে দীপঙ্করবাবুকে গেরুয়া বসন পাল্টে আসার জন্য বলেন। দীপঙ্করবাবু স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তিনি এই বসন পাল্টাতে পারবেন না। কারণ তিনি গেরুয়া বসন আজকের দিনের জন্য পরেন নি। তিনি দীর্ঘদিন ধরেই এই পোশাক পরে আসছেন। এই পোশাকের বাইরে অন্য রঙের পোশাক পরা ওনার সম্প্রদায়ের নিয়মের বাইরে।

বলে রাখি, নির্বাচনী বিধিতে কোথাও এটা উল্লেখ নেই যে পোলিং এজেন্ট, প্রিসাইডিং অফিসার এবং ভোটাররা কি পোশাক পরবেন এবং কি রঙয়ের পোশাক পরবেন। নির্বাচনী বিধি কাউকে কোনও রঙের পোশাক পরা থেকে আটকায় না। বুথের ভিতর হোক আর বাইরে আপনি নিজের ইচ্ছে মতো যেকোন রঙয়ের পোশাক পরতে পারবেন। শুধু কোনও রাজনৈতিক দলের চিহ্ন, প্রতীকী ব্যবহার করতে পারবেন না।

Related Articles

Back to top button