নতুন খবর

বাবরের বংশধররা দেশের মধ্যে আগুন লাগাচ্ছে, এরা প্রমান দিয়েছে যে এরা ভারতের নাগরিক নয়: যোগেশ্বর দত্ত, কুস্তিগীর।

নিয়ে দেশের কট্টরপন্থীরা উপদ্রব শুরু করেছে। দেশের নানা প্রান্তে উৎপাত শুরু করেছে কট্টরপন্থীরা। পশ্চিবঙ্গে লুঙ্গি বাহিনীর উপদ্রবে মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। উত্তরবঙ্গ এই সাথে দক্ষিণ বঙ্গের যাতায়াত ব্যাবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পরিকল্পনা মাফিক কট্টরপন্থীরা এই কাজ করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে যে পুলিশ পুজোতে বাজি ফাটানোর অপরাধে নিরীহ মানুষকে গ্রেফতার করতে চলে যায়, সেই পুলিশ লুঙ্গি বাহিনীর কাছে হাঁটু গেড়ে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ উলুবেড়িয়ায় লুঙ্গি বাহিনীকে গ্রেফতার করতে গিয়ে উল্টে আক্রমনের শিকার হয়েছে। দিল্লী ও উত্তর প্রদেশে অন্য ছবি দেখা যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশের পুলিশ উপদ্রবকারীদের বেধড়ক ওষুধ দিয়েছে। তবে দিল্লীতে উপদ্রব এখনও চলছে এবং বাচ্চাদের স্কুলবাসকে পর্যন্ত টার্গেট করা হচ্ছে।

এরমধ্যে ভারতীয় কুস্তিগীর () বড়ো মন্তব করেছেন। দিল্লীতে কট্টরপন্থীরা দেশের সম্পত্তিরা যেভাবে ধ্বংস করেছে তার উপর মন্তব্য করে একটা বিবৃতি দিয়েছেন। বলেছেন, “আমার দেশ আমার দেশ বললেই নিজের দেশ হয়ে যায় না। ভারতে এখনও বাবরের বংশধররা রয়ে গেছে যারা এমন উৎপাত করছে। এরা দেশের সম্পত্তি নষ্ট করে প্রমান দিয়ে দিচ্ছে যে এরা ভারতের নাগরিক নয়। যারা দেশের নাগরিক তারা কখনই দেশের ক্ষতি করবে না। যারা দেশের নাগরিক হবে তাদের ভয় কিসের? বিরোধ প্রদর্শন করার অর্থ দেশের ক্ষতি করা নয়।”

কমনওয়েলথ স্বর্ণপদক বিজেতা যোগেশ্বর দত্ত জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর ছাত্রদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে যে বিশ্ববিদ্যালয়টি রিজার্ভেশন দেওয়া হয়, সেখানে একই বিশ্ববিদ্যালয় এখন ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে লড়াইয়ের দাবি করছে। হিংসার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য উনি দিল্লী পুলিশের প্রশংসা করেন। যোগেশ্বর দত্ত এই নিয়ে দুটি টুইট করেন এবং দাঙ্গাবাজদের কড়া ভাষায় আক্রমন করেন।

বিল নিয়ে কট্টরপন্থীরা দাবি করেছে যে, পাকিস্তান বা বাংলাদেশ থেকে আগত মুসলিমদেরও নাগরিকত্ব দিতে হবে। কট্টরপন্থীরা বলেছে, মোদী সরকার ধর্মের ভিত্তিতে ভেদাভেদ করছে। সব ধর্মের মানুষ সমান তাই বাংলাদেশ থেকে আগত হিন্দুকে নাগরিকত্ব দিলে বাংলাদেশ,পাকিস্তান থেকে আগত মুসলিমদেরও নাগরিকত্ব দিতে হবে। সব মিলিয়ে রোহিঙ্গা সহ সকল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি উঠেছে।

Back to top button
Close