নতুন খবরভারতবর্ষ

রামমন্দির নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিজনক মন্তব্য করেছিল মহম্মদ জাহিদ! গ্রেফতার করলো যোগী পুলিশ।

অযোধ্যা মামলার রায় আসার পর থেকে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আরো সক্রিয়তার সাথে কাজ করছে। কারণ দেশের সবথেকে বড়ো এই রাজ্যে সুরক্ষা ব্যাবস্থা নিয়ন্ত্রণ রাখা সরকারের জন্য একটা গম্ভীর চ্যালেঞ্জ। ইউপি পুলিশ অযোধ্যা রায়কে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানিমূলক মন্তব্যে অবিরত নজর রাখছে। আপত্তিজনক মন্তব্য করার জন্য 90 জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে, প্রয়াগরাজের আপত্তিজনক মন্তব্য করার জন্য একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে যুবকটি রাম মন্দির নির্মাণের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্রমাগত আপত্তিজনক কথাবার্তা লিখছিলেন।

গ্রেপ্তার হওয়া যুবকের নাম মোহাম্মদ জাহিদ বলে জানা গেছে। অভিযোগ করা হয়েছে যে জাহিদ ফেসবুকে একটি উস্কানিমূলক পোস্ট পোস্ট করেছিলেন, এরপরেই তোলপাড় শুরু হয়ে যায়। লোকেরা জাহিদের এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছিল। এই বিষয়টি পুলিশের কাছে পৌঁছানোর সাথে সাথে তিনি তত্ক্ষণাত একটি মামলা দায়ের করেন এবং ওই যুবকের আইপি ঠিকানাটি সন্ধান করতে শুরু করেন। কয়েক ঘন্টার মধ্যে পুলিশ যুবকের বাড়ির বাইরে পৌঁছে  যায় এবং অভিযানের পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জাহিদ পেশায় ব্যাবসায়ী, যে রামমন্দির নিয়ে মামলায় রায় আসার পর উন্মাদ ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল।  সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিজনক মন্তব্য করে রাজ্যে অস্থিরতা উৎপন্ন করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ মহম্মদ জাহিদকে গ্রেফতার করেছে। জানিয়ে দি, যোগী সরকার আগে থেকেই উত্তরপ্রদেশে কিছু অস্থায়ী জেল বানিয়ে রেখেছে। যাতে উপদ্রপকারীদের দমন করা যায়। অযোধ্যা মামলা যেহেতু একটা সংবেদনশীল মামলা ছিল, তাই রাজ্য ও কেন্দ্র দুই সরকার সুরক্ষা ব্যাবস্থা নিয়ে হাই এলার্টে ছিল। আর এখনও উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার সক্রিয় ভূমিকায় কাজ করে চলেছে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ উত্তরপ্রদেশের নানা ধর্মগুরুদের সাথে কথা বলেছেন যাতে শান্তি বজায় রাখতে তারা মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশ অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়ার জোর নজরদারি চলছে। প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, অযোধ্যা মামলার রায় আসার আগে উত্তরপ্রদেশের দাগী আসামিদের গ্রেফতার করে নেওয়া হয়েছিল।

Related Articles

Back to top button